বাংলাদেশের শিল্প ও বানিজ্য

বাংলাদেশ বিষয়াবলী - সাধারণ জ্ঞান - | NCTB BOOK

1.9k

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য মূলত তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, ওষুধ, হিমায়িত খাদ্য এবং কৃষিপণ্যের উপর নির্ভরশীল, যেখানে তৈরি পোশাক খাত রপ্তানির প্রধান চালিকাশক্তি এবং অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি; পাট শিল্প ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং বর্তমানেও বিশ্ব বাজারে এর উল্লেখযোগ্য অংশ বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, এছাড়াও কৃষিভিত্তিক শিল্প ও সেবা খাতও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

Content added By
  • BEZA: Bangladesh Economic Zones Authority
  • প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১০ সালে।
  • নিয়ন্ত্রক: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সভাপতি: প্রধানমন্ত্রী।
  • উদ্দেশ্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ- Special Economic Zone) প্রতিষ্ঠা করা।
  • ২০৩০ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা হবে ১০০টি
  • জাপানের বিনিয়োগে Special Economic Zone হবে: নারায়ণগঞ্জ (এশিয়ায় জাপানের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হবে)।
  • ভারতের বিনিয়োগে Special Economic Zone হবে: বাগেরহাটের মোংলায়।
  • চীনের বিনিয়োগে Special Economic Zone হবে: চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ।
  • মহেশখালী বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়। সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্ক।
Content added By
  • বাংলাদেশের মোট ইপিজেড ১০ টি।
  • EPZ এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Export Processing Zone.
  • EPZ গুলো হচ্ছে- রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল ।
  • বাংলাদেশের চালুকৃত সরকারি ইপিজেড ৮টি।
  • বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড- ঢাকা ইপিজেড।
  • দেশের বৃহত্তম ইপিজেড নির্মাণ করা হবে- পটুয়াখালীতে।
  • বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেড, প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৩।
  • দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা (নীলফমারী) ইপিজেড ।
  • ইপিজেড চালু শিল্পের মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হচ্ছে পোশাক শিল্পে।
  • EPZ নিয়ন্ত্রিত সংস্থার নাম BEPZA (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)।
  • BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৮০ সালে।
  • BEPZA - Bangladesh Export Processing Zone Authority.

বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেড সমূহ

নাম

আয়তন

অবস্থান

কার্যক্রম শুরু

চট্টগ্রাম (প্রথম সরকারি)

৪৫৩ একর

হালিশহর, চট্টগ্রাম

১৯৮৩

ঢাকা

৩৫৩ একর

সাভার, ঢাকা

১৯৮৭

মংলা

৪৬০ একর

মংলা, বাগেরহাট

১৯৯৮

কুমিল্লা

২৬৭ একর

কুমিল্লা

১৯৯৮

ঈশ্বরদী

৩০৯ একর

পাকশি, পাবনা

১৯৯৮

উত্তরা (একমাত্র কৃষিভিত্তিক)

২৬৫ একর

সৈয়দপুর, নীলফামারী

২০০১

আদমজি

২৯৩ একর

নারায়ণগঞ্জ

২০০৬

কর্ণফুলি

২২২ একর

পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম

২০০৬

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • দেশের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল ।
  • আয়তন: ৩০,০০০ একর (অঞ্চল হবে: ৩০টি)
  • অবস্থান: চট্টগ্রামের মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা
  • কাজ শেষ হবে ২০২৫ সালে
  • প্রকল্পে অনুমোদন: ৪ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা।
Content added By

শিল্প মন্ত্রণালয় প্রতি হয় ১৯৭২ সালে।

প্রথম শিল্পমন্ত্রী: মুজিবনগর সরকারে শিল্পমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনসুর আলী।

Content added By

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে কাজ করে থাকে। ১৯৫৭ সালে সং আইনের অধ্যাদেশ বলে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।১৯৭১ সালের পর স্বাধীন বাংলাদেশের বিসিকের প্রথম প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক সচিব সাবেক এমপি জনাব আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান।

পাকিস্তান আমলে এর প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ছিলেন এ. কে. এন. আহমেদ (A.K.N. Ahmed)।

Content added By

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) (ইংরেজি: Bangladesh Standards and Testing Institution) শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সরকারি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান যা মূলত সেবা ও পণ্যের গুণমান নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গঠিত। ঢাকায় এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। এর পাশাপাশি সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের নিকটে বিভাগীয় মেট্রোলজি ইন্সপেক্টরেট, দেশের ৭টি বিভাগীয় শহরে বিভাগীয় অফিস, তিনটি জেলা অফিস ও ১০টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। বিএসটিআই এর অনুমোদন ব্যতীত বাধ্যতামূলক পণ্যসমূহ মোড়কজাত ও বাজারজাত করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত অধ্যাদেশ ৩৭-এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইন্সটিটিউশনকে (BDSI) একীভূত করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কৃষি পণ্য বিপণন ও শ্রেনীবিন্যাস পরিদপ্তরটিও বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।

Content added By

বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) হচ্ছে একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারী সংস্থা এবং গবেষণা কেন্দ্র যা গবেষণার মাধ্যমে শিল্প উৎপাদন উন্নত করার উপায় এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান প্রদান করে থাকে। এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত। এটি ছোট-মধ্যম প্রতিষ্ঠানসমূহকে সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। বিটাক এর মোট পাঁচটি আঞ্চলিক কার্যালয়/শাখা রয়েছে যেগুলো, ঢাকা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, খুলনা এবং বগুড়ায় অবস্থিত।

'বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র' এর পূর্ব নাম ছিল 'পাকিস্তান শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র' যা IRDC ও PIPS এর সংযুক্তির মাধ্যমে ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর এটির নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (সংক্ষেপে বিটাক) করা হয়।

Content added By
  • বাংলাদেশের তৈরী পোষাক শিল্পের যাত্রা শুরু হয় ৬০ এর দশকে।
  • বাংলাদেশের তৈরী পোষাক শিল্পের প্রথম পথ প্রদর্শক- নুরুল কাদির।
  • পোষাক শিল্প বর্তমানে সবচেয়ে বড় রপ্তানিমূখী অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
  • পোষাক শিল্পে নারী শ্রমিকের সংখ্যা শতকরা ৮০%।
  • GSP - Generalized System Preference সুবিধা লাভ করে- ১৯৭৬ সাল।
  • ২০২৬ সাল থেকে বাংলাদেশ পাবে- জি.এস.পি প্লাস সুবিধা।
  • বাংলাদেশের প্রথম গার্মেন্টস কারখানার নাম- রিয়াজ গার্মেন্টস (১৯৭৩ সাল)
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জেনারেলাইজড সিস্টেম অফ প্রিফারেন্সেস, অথবা জিএসপি (ইংরেজি: Generalized System of Preferences, GSP) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিওটিও) এর সাধারণ নিয়ম থেকে ছাড় দেয়ার একটি প্রথাগত পদ্ধতি, (পূর্বে যা জেনারেল এগ্রিমেন্ট অফ ট্যারিফ এন্ড ট্রেড বা গ্যাট নামে পরিচিত ছিল)। বিশেষ করে, এটি সর্বোচ্চ বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত নীতি (মোস্ট ফেবারড নেশন - এমএফএন) থেকে ছাড় দেয়ার একটি আনুষ্ঠানিক পদ্ধতি যেখানে এমএফএন কোনো ডব্লিওটিও সদস্যরাষ্ট্রকে অন্যসকল ডব্লিওটিও সদস্যরাষ্ট্র হতে আসা আমদানীকে সমানভাবে গণ্য করতে বাধ্য করে। প্রকৃতপক্ষে, এমএফএন অনুযায়ী সমান শুল্ক আরোপের মাধ্যমে অন্য সকল ডব্লিওটিও সদস্য রাষ্ট্র হতে আসা আমদানীর সাথে সমানভাবে আচরণে বাধ্য করে।

এছাড়াও জিএসপি ধনী রাষ্ট্রগুলোর শুল্ক না কমিয়ে, অনুন্নত রাষ্ট্রগুলোর জন্য শুল্ক কমাতে এমএফএন এ ডব্লিওটিও সদস্য রাষ্ট্রকে ছাড় দিয়ে থাকে।

Content added By
  • উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ওষুধ উৎপাদনে শীর্ষে- বাংলাদেশ।
  • রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমার অবদানের হিসেবে ঔষধ শিল্পের অবস্থান- দ্বিতীয়।
  • বর্তমানে দশে সবচেয়ে বৃহত্তম ঔষধ কোম্পানি- স্কয়ার (১৯৫৮), পাবনা।
  • দেশের বাইরে প্রথম ঔষুধ কারখানা স্থাপন করা হয়- কেনিয়াতে (স্কয়ার ফার্মা)।
  • দেশের প্রথম কোম্পানি হিসেবে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্ত হয়- বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিকেলস লি.।
  • দেশের ৯৮% চাহিদা মিটিয়ে ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে- ১৪৭টি দেশে।
  • বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে বেশি ওষুধ রপ্তানি করে- মিয়ানমারে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শ্রীলংকায়।
  • বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাতে ২০০০ সাল পর্যন্ত মেধাস্বত্ব ছাড় পাবে।
  • Essential Drugs Company: বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ওষুধ কোম্পানি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • DGDA Directorate General of Drug Administration ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • দেশে ওষুধ ব্যবহার ও গ্রহণের নিয়মনীতি নিয়ন্ত্রণ করে। কার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ (PCB)
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহত্তম রপ্তানি পণ্য- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
  • প্রথম ট্যানারি পল্লী ছিল- নারায়ণগঞ্জে (১৯৪০ দশকের দিকে)।
  • নতুন ২টি চামড়া শিল্পনগরী স্থাপন করা হচ্ছে- রাজশাহী ও চট্টগ্রামে।
  • বাংলাদেশের চামড়ার সবচেয়ে বড় বাজার- চীন।
  • চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত সাভারের হেমায়েতপুরে, চামড়া শিল্পনগরীতে মোট ১৫৫টি ট্যানারি আছে।
Content added By
  • সর্বপ্রথম কাগজ কল স্থাপন করা হয় কর্ণফুলী পেপার মিল- ১৯৫৩ সালে।
  • কর্ণফুলী পেপার মিল কর্ণফুলী নদীর তীরে, চন্দ্রঘোনা, রাঙামাটিতে অবস্থিত।
  • বাংলাদেশের বিখ্যাত কাগজকল খুলনা নিউজপ্রিন্ট বন্ধ ঘোষণা করা হয়- ২০০২ সালে।
  • বর্তমানে উন্নতমানের কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়- আমদানিকৃত রাসায়নিক মন্ড।
  • বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি কাগজকল- ৬টি।
  • কাগজ তৈরির সর্বশেষ উদ্ভাবিত উপাদান- সবুজ পাট।
  • প্রাচীন বাংলায় দেশীয় পদ্ধতিতে কাগজ প্রস্তুত করা হতো- মেস্তা এবং পাট গাছ থেকে।
  • কাগজকল নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান: Bangladesh Chemical Industries Corporation.

কাগজ কল

প্রতিষ্ঠা সাল

অবস্থান

কাঁচামাল

বিশেষ তথ্য

কর্ণফুলি পেপার মিল

১৯৫৩

চন্দ্রঘোনা, রাঙ্গামাটি

বাঁশ

বৃহত্তম কাগজকল

খুলনা নিউজপ্রিন্ট কারখানা

১৯৫৯

খালিশপুর, খুলনা

গেওয়া কাঠ

২০০২ থেকে বন্ধ

পাকশী নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল

১৯৭০

ঈশ্বরদী, পাবনা

আখের ছোবড়া

পদ্মা নদীর তীরে

সিলেট কাগজ কল ব্যবহৃত

-

-

নলখাগড়া ও ঘাস

মণ্ড ও কাগজ উৎপাদন


Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

  • বর্তমানে দেশে চিনিকল চালু রয়েছে- ১৫টি।
  • বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- ঈশ্বরদী, পাবনা।
  • দেশের সবচেয়ে পুরনো চিনিকল- নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল, নাটোর (১৯৩৩)।
  • চিনির উপজাত আখের ছোবড়া কাগজ উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয়- নর্থ বেঙ্গল কাগজকল ।
  • কেরু এন্ড কোম্পানি লিমিটেড: বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও একমাত্র লাভজনক চিনিকল দর্শনা, চুয়াডাঙ্গায়।
Content added || updated By

সার কারখানা নিয়ন্ত্রকারী প্রতিষ্ঠান হলো- বিসিআইসি, এর নিয়ন্ত্রানাধীন কারখানার সংখ্যা- ৮ টি।

নাম ও সাল

প্রধান কাঁচামাল/অবস্থান

অতিরিক্ত তথ্য

ফেঞ্চুগঞ্জ (১৯৬১)

হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস

বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা

যমুনা সার কারখানা

(১৯৯১)

তারাকান্দি, জামালপুরে

সবচেয়ে বড় সার কারখানা।

একমাত্র দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী কারখানা।

কাফকো

-

জাপানের সহায়তায় দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জিয়া সার কারখানা, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
যমুনা সার কারখানা, জামালপুর
চট্টগ্রাম সার কারখানা, চট্টগ্রাম
ঘোড়াশাল সার কারখানা, নরসিংদী
  • সরকার দেশের সরকারি পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে ১লা জুলাই, ২০২০ সালে।
  • বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাট কল হল- আদমজী জুট মিল: যা স্থাপিত হয়- ১৯৫১ সালে।
  • আদমজী জুট মিলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়- ৩০ জুন, ২০০২ সালে।
  • BJMC এর পূর্ণরূপ হল-- Bangladesh Jute Mills Corporation (1972)
  • BJMA - Bangladesh Jute Mills Association.
  • ব্রিটিশ আমলে প্রথম পাট কল স্থাপিত হয়- শ্রীরামপুর, ১৮৫৫ সালে।
Content added By
  • বাংলাদেশের সর্বশেষ লাভজনক রপ্তানিকৃত নির্মাণ শিল্পের নাম- জাহাজ শিল্প।
  • বাংলাদেশ জাহাজ শিল্পে প্রবেশ করে ২০০৮ সালে।
  • বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ বানৌজা সমুদ্রজয় ।
  • রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজ নির্মাণ করে- আনন্দ শিপইয়ার্ড (নারায়ণগঞ্জ)।
  • রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজের নাম- স্টেলা মেরিস (বাংলাদেশ আনন্দ) রপ্তানি হয়- ডেনমার্কে।
  • যুদ্ধজাহাজকে ডাকা হয়- পেট্রল ক্র্যাফট (Patrol Craft)।
  • বাংলাদেশের বৃহত্তম লৌহ ও ইস্পাত কারখানা- চট্টগ্রাম স্টিল মিল।
  • জাহাজভাঙ্গা শিল্প গড়ে উঠেছে- সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম ।
  • প্রস্তাবিত ২য় জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প কারখানাটি গড়ে তোলা হবে- বরগুনায়।
Content added By
  • পর্যটনকে কেন্দ্র করে যখন অর্থনীতি সমৃদ্ধি লাভ করে, তখন তাকে বলে- পর্যটন শিল্প বলে।
  • পূর্বে পর্যটন সংক্রান্ত বিষয়গুলো ছিল- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
  • বর্তমানে পর্যটন শিল্প বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত ।
  • বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড গঠিত ২০১০ সালে।

শিল্প কারখানা

অবস্থান

বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিগাজীপুর
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
দেশের সবচেয়ে বড় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরির কারখানাইস্টার্ন ক্যাবলস, চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ টেলিফোন শিল্প সংস্থাটঙ্গী, গাজীপুর
বাংলাদেশর মোটর সাইকেল সংযোগ কারখানাটঙ্গী, গাজীপুর
বাংলাদেশের একমাত্র অস্ত্র কারখানাজয়দেবপুর, গাজীপুর
বাংলাদেশের প্রথম কয়লা শোধনাগারবিরামপুর হার্ড কোল লিমিটেড, দিনাজপুর
বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন মিল কর্ণফুলী রেয়ন মিল, চন্দ্রঘোনা, রাঙামাটি
বাংলাদেশে সাইকেল তৈরির কারখানা অবস্থিতঢাকায়
বাংলাদেশ সর্বশেষ প্রবেশ করেছে।হোম টেক্সটাইল শিল্পে

জেনে নিই

  • বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাত: রাজস্ব।
  • ভ্যাট হচ্ছে: পরোক্ষ কর।
  • আবগারি শুল্ক: দেশে উৎপাদিত পণ্যের উপর নির্ধারিত কর।
  • ভ্যাট : বিক্রয়মূল্যের অতিরিক্ত ও বিকল্প হিসেবে আরোপিত কর।
  • সরকারি কাজে ফার্সি ভাষা চালু করেন: আকবরের অর্থমন্ত্রী টোডরমল।
  • সরকারি কাজে ফার্সির বদলে ইংরেজি চালু হয়: ১৮৩৭ সালে।
  • ইংল্যান্ডে প্রথমবারের মত ইংরেজি আদালতের ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায় ১৩৬২ সালে।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) হচ্ছে একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারী সংস্থা এবং গবেষণা কেন্দ্র যা গবেষণার মাধ্যমে শিল্প উৎপাদন উন্নত করার উপায় এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান প্রদান করে থাকে। এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত। এটি ছোট-মধ্যম প্রতিষ্ঠানসমূহকে সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। বিটাক এর মোট পাঁচটি আঞ্চলিক কার্যালয়/শাখা রয়েছে যেগুলো, ঢাকা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, খুলনা এবং বগুড়ায় অবস্থিত।

'বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র' এর পূর্ব নাম ছিল 'পাকিস্তান শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র' যা IRDC ও PIPS এর সংযুক্তির মাধ্যমে ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর এটির নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (সংক্ষেপে বিটাক) করা হয়।

Content added By

কালো সোমবার (ইংরেজি: Black Monday) হচ্ছে বিশ্ব-ব্যাপী শেয়ার বাজার-এর ধ্স সম্পর্কিত প্রচলিত বহুল-ব্যবহৃৎ ও সবচেয়ে পরিচিত শব্দ; যা মূলতঃ ১৯৮৭ সালে বিশ্ব-ব্যাপী সংঘটিত শেয়ারের মূল্য সূচকের ধ্বসকে বোঝায়। এটি হংকং হতে শুরু করে ইউরোপ পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্র হয়ে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত হয়; তবে ভিন্ন সময় অঞ্চলের কারণে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড অঞ্চলে এটি "কালো মঙ্গলবার" হিসাবে পরিচিত।

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...